Skip to main content

যুগান্তকারী আবিস্কার! ভেঙে যাওয়া মোবাইলের ডিসপ্লে জুড়ে দিন এই উপায়ে

হাত পরে ভেঙে গিয়েছে মোবাইলের ডিসপ্লে? ভাবছেন তো শখের দামি মোবাইলটা নিয়ে কি করবেন? ডিসপ্লে সারাতে গেলে তো অনেক টাকা লেগে যাবে? চিন্তা করবেন না! মোবাইলের ভেঙে যাওয়া ডিসপ্লে সারাই করে নিন।
নিজের ফাটল নিজেই মেরামত করতে পারবে এমন এক ধরনের কাঁচ বানিয়ে ফেলেছেন ইউনিভার্সিটি অফ টোকিও’এর গবেষকরা। নতুন ধরনের আঠা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এই কাঁচের সন্ধান পেয়ে যান তারা। আর তা দিয়েই চোখের পলকে জুড়ে যাবে মোবাইলের ডিসেপ্লে।
দৃঢ় চাপে এই কাঁচের ভাঙ্গা টুকরোগুলো কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে জোড়া লেগে যেতে পারে। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এটি আগের শক্ত অবস্থায় ফিরে আসে। এই গবেষণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। শিল্পখাতের বিস্তৃত পরিসরে এই ‘স্ব-মেরামতী’ কাঁচ একটি আকর্ষণীয় বিষয় হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজনেস ইনসাইডার-এর প্রতিবেদনে।

Comments

Popular posts from this blog

দৈহিক শক্তি বাড়ানোর ১০টি খাবারে

সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক। তাই বিবাহিত জীবনে মিলনে ফিট থাকতে হলে আপনাকে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। যেসব খাবারে দৈহিক শক্তি বাড়ে, জেনে নিন- ডিম: দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার যৌন দুর্বলতার সমাধান হবে। দুধ: যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট। মধু: দৈহিক দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন। রসুন: দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস ...

আইট্ট কলা গাছ লাগালে সবরি কলা পাবেন নাঃ শাজাহান খান

তিনি বলেন, ‘বলেই ফেলব কীনা, আমার জন্ম তারিখও দুটো, এটা কিন্তু কই না আমি। একটা হল আসল জন্ম তারিখ আরেকটা সার্টিফিকেটের জন্ম তারিখ।’ মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পাঁচটি জন্ম তারিখ। এরমধ্যে তিনটি তার নিজের সই করা। সে যখন ১৯৬১ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন তখন সেখানে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ ছিল ১৯৪৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। যখন জিয়াউর রহমান সাহেবের সঙ্গে উনার বিয়ে হল সেখানে কাবিন নামায় তিনি জন্ম তারিখ লিখেছেন ১৯৪৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। বয়স কম তো এজন্য একটু বাড়িয়ে দিলেন দুই বছর।’ ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নিজের হাতে সই করে মিথ্যাচারটা কীভাবে করেছে দ্যাখেন- একটা হল উনার পাসপোর্ট, পাসপোর্টে নিজের সই করা। আমার কাছে সব কপি আছে। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন জন্ম তারিখ ১৯৪৬ সালের ৫ আগস্ট। ভোটার তালিকায় যে তিনি সই করেছেন তা আমি মিলিয়ে দেখেছি, একই সই। সেখানে (ভোটার তালিকায়) তিনি জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন ১৫ আগস্ট।’ খালেদা জিয়ার আরেকটি জন্ম তারিখ আছে যার কাগজটি মন্ত্রীর হাতে নেই জানিয়ে বলেন, ‘চারটি ডকুমেন্ট আমার হাতে। উনি যখন সার্কের চেয়ারম্যান হিসেবে বায়োডাটা জমা দিয়েছিলেন, সেখানে আরেকটা জন্ম তারিখ আছে।’ শা...