Skip to main content

দৈহিক শক্তি বাড়ানোর ১০টি খাবারে

সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক। তাই বিবাহিত জীবনে মিলনে ফিট থাকতে হলে আপনাকে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। যেসব খাবারে দৈহিক শক্তি বাড়ে, জেনে নিন-
ডিম: দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার যৌন দুর্বলতার সমাধান হবে।
দুধ: যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
মধু: দৈহিক দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।
রসুন: দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই দৈহিক উদ্দীপনা বাড়াতে এবং জননাঙ্গকে পূর্ণ সক্রিয় রাখতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।
কফি: কফি আপনার মিলনের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মিলনের মুড কার্যকর রাখে।
জয়ফল: গবেষণায় দেখা গেছে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।
চকলেট: ভালোবাসা ও মিলনের সঙ্গে সবসময়ই চকলেটের একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো মিলনের উত্তেজনা ও দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।
কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হলেও আপনার ক্লান্তি আসবে না।
ভিটামিন সি জাতীয় ফল: দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। এসব ফলে মধ্যে তরমুজের প্রভাব বেশি। অনেকে মিলনের উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।


গরুর মাংস: গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি মিলনকে আরও আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

Comments

Popular posts from this blog

আইট্ট কলা গাছ লাগালে সবরি কলা পাবেন নাঃ শাজাহান খান

তিনি বলেন, ‘বলেই ফেলব কীনা, আমার জন্ম তারিখও দুটো, এটা কিন্তু কই না আমি। একটা হল আসল জন্ম তারিখ আরেকটা সার্টিফিকেটের জন্ম তারিখ।’ মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পাঁচটি জন্ম তারিখ। এরমধ্যে তিনটি তার নিজের সই করা। সে যখন ১৯৬১ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন তখন সেখানে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ ছিল ১৯৪৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। যখন জিয়াউর রহমান সাহেবের সঙ্গে উনার বিয়ে হল সেখানে কাবিন নামায় তিনি জন্ম তারিখ লিখেছেন ১৯৪৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। বয়স কম তো এজন্য একটু বাড়িয়ে দিলেন দুই বছর।’ ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নিজের হাতে সই করে মিথ্যাচারটা কীভাবে করেছে দ্যাখেন- একটা হল উনার পাসপোর্ট, পাসপোর্টে নিজের সই করা। আমার কাছে সব কপি আছে। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন জন্ম তারিখ ১৯৪৬ সালের ৫ আগস্ট। ভোটার তালিকায় যে তিনি সই করেছেন তা আমি মিলিয়ে দেখেছি, একই সই। সেখানে (ভোটার তালিকায়) তিনি জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন ১৫ আগস্ট।’ খালেদা জিয়ার আরেকটি জন্ম তারিখ আছে যার কাগজটি মন্ত্রীর হাতে নেই জানিয়ে বলেন, ‘চারটি ডকুমেন্ট আমার হাতে। উনি যখন সার্কের চেয়ারম্যান হিসেবে বায়োডাটা জমা দিয়েছিলেন, সেখানে আরেকটা জন্ম তারিখ আছে।’ শা...