তিনি বলেন, ‘বলেই ফেলব কীনা, আমার জন্ম তারিখও দুটো, এটা কিন্তু কই না আমি। একটা হল আসল জন্ম তারিখ আরেকটা সার্টিফিকেটের জন্ম তারিখ।’
মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পাঁচটি জন্ম তারিখ। এরমধ্যে তিনটি তার নিজের সই করা। সে যখন ১৯৬১ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন তখন সেখানে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ ছিল ১৯৪৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। যখন জিয়াউর রহমান সাহেবের সঙ্গে উনার বিয়ে হল সেখানে কাবিন নামায় তিনি জন্ম তারিখ লিখেছেন ১৯৪৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। বয়স কম তো এজন্য একটু বাড়িয়ে দিলেন দুই বছর।’
‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নিজের হাতে সই করে মিথ্যাচারটা কীভাবে করেছে দ্যাখেন- একটা হল উনার পাসপোর্ট, পাসপোর্টে নিজের সই করা। আমার কাছে সব কপি আছে। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন জন্ম তারিখ ১৯৪৬ সালের ৫ আগস্ট। ভোটার তালিকায় যে তিনি সই করেছেন তা আমি মিলিয়ে দেখেছি, একই সই। সেখানে (ভোটার তালিকায়) তিনি জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন ১৫ আগস্ট।’
খালেদা জিয়ার আরেকটি জন্ম তারিখ আছে যার কাগজটি মন্ত্রীর হাতে নেই জানিয়ে বলেন, ‘চারটি ডকুমেন্ট আমার হাতে। উনি যখন সার্কের চেয়ারম্যান হিসেবে বায়োডাটা জমা দিয়েছিলেন, সেখানে আরেকটা জন্ম তারিখ আছে।’
শাজাহান খান বলেন, ‘বিএনপির মিথ্যা কথা কইতে কইতে একটা অভ্যাস হয়ে গেছে। সুতরাং আইট্ট কলা গাছ লাগালে সবরি কলা পাবেন না। তদ্রুপ বিএনপি একটা খুনির দল, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধের দল, সেই দলের কাছে আমরা সবরি কলা, দেশের উন্নয়ন আশা করতে পারি না। শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব এই দেশকে এগিয়ে নেয়া।’

Comments
Post a Comment