Skip to main content

চতুর্থ স্বামীর সংসারে এ কেমন আছে ডলি সায়ন্তনী!

গায়িকা ডলি সায়ন্তনী। বর্তমানে তার সংসার চতুর্থ স্বামী ফাইজান আজিমের সাথে। এই ঘরে তার একটি মেয়ে আছে। নাম ফাইজা। মেয়ের এবারের জন্মদিনে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ছিলেন ডলি সায়ন্তনী। যা থেকে বুঝা গেছে ভালই চলছে তাদের সাংসারিক জীবন।
এর আগে ডলি সায়ন্তনীর আরো তিনটি বিয়ে হয়েছিল। প্রথমে বিয়ে করেছিলেন এক ব্যবসায়ীকে। পরে দ্বিতীয় বিয়ে করেন সংগীত পরিচালক, গীতিকার আহমেদ রিজভীকে। এই সংসারে জন্ম হয় একটি মেয়ের। নাম কথা। রিজভীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ডলি বিয়ে করেন গায়ক রবি চৌধুরীকে। রবি-ডলি দম্পতির একমাত্র মেয়ের নাম রিমঝিম। সেই সংসারও বেশিদিন টেকেনি। সবার শেষে আসেন ফাইজান আজিমের ঘরে।
স্বামী ফাইজান আজিম বর্তমানে প্রাইম অ্যাসেটসের উচ্চপদে কর্মরত আছেন। স্বামী সম্পর্কে ডলি সায়ন্তনী বলেন, স্ত্রী-সন্তানদের প্রতি ফাইজান যে পরিমাণ কেয়ারিং তা অন্য কোনো স্বামীর মাঝে আছে কি না আমি জানি না।

Comments

Popular posts from this blog

দৈহিক শক্তি বাড়ানোর ১০টি খাবারে

সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক। তাই বিবাহিত জীবনে মিলনে ফিট থাকতে হলে আপনাকে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। যেসব খাবারে দৈহিক শক্তি বাড়ে, জেনে নিন- ডিম: দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার যৌন দুর্বলতার সমাধান হবে। দুধ: যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট। মধু: দৈহিক দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন। রসুন: দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস ...

আইট্ট কলা গাছ লাগালে সবরি কলা পাবেন নাঃ শাজাহান খান

তিনি বলেন, ‘বলেই ফেলব কীনা, আমার জন্ম তারিখও দুটো, এটা কিন্তু কই না আমি। একটা হল আসল জন্ম তারিখ আরেকটা সার্টিফিকেটের জন্ম তারিখ।’ মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পাঁচটি জন্ম তারিখ। এরমধ্যে তিনটি তার নিজের সই করা। সে যখন ১৯৬১ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন তখন সেখানে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ ছিল ১৯৪৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। যখন জিয়াউর রহমান সাহেবের সঙ্গে উনার বিয়ে হল সেখানে কাবিন নামায় তিনি জন্ম তারিখ লিখেছেন ১৯৪৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। বয়স কম তো এজন্য একটু বাড়িয়ে দিলেন দুই বছর।’ ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নিজের হাতে সই করে মিথ্যাচারটা কীভাবে করেছে দ্যাখেন- একটা হল উনার পাসপোর্ট, পাসপোর্টে নিজের সই করা। আমার কাছে সব কপি আছে। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন জন্ম তারিখ ১৯৪৬ সালের ৫ আগস্ট। ভোটার তালিকায় যে তিনি সই করেছেন তা আমি মিলিয়ে দেখেছি, একই সই। সেখানে (ভোটার তালিকায়) তিনি জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন ১৫ আগস্ট।’ খালেদা জিয়ার আরেকটি জন্ম তারিখ আছে যার কাগজটি মন্ত্রীর হাতে নেই জানিয়ে বলেন, ‘চারটি ডকুমেন্ট আমার হাতে। উনি যখন সার্কের চেয়ারম্যান হিসেবে বায়োডাটা জমা দিয়েছিলেন, সেখানে আরেকটা জন্ম তারিখ আছে।’ শা...